গুরুত্বপূর্ণ খবর

দীপ্তেন্দু চক্রবর্তী, প্রবাসী লেখক, টরোন্টো, কানাডা:

অনেকদিন আগে বুদ্ধদেববাবুর আমলে কতকগুলো রাজ্যের সংস্কার নিয়ে কিছু পরিকল্পনা লিখেছিলাম। আমি দৃঢ় ভাবে মনে করি একটি দেশের বা রাজ্যের ভিত্তি হলো তার শাসন ব্যবস্থা। পুলিশ তার শক্ত পিলার আর আদালত হচ্ছে ছাদ যেখানে মানুষ গিয়ে আশ্রয় পেতে পারে। আমি বহুকাল বিদেশে থাকা দরুন দেখেছি প্রথম বিশ্বর শক্তিশালী হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে তার শাসন ব্যবস্থা আর পুলিশ আদালতের কঠোর আপোষহীন যুদ্ধাপরাধের বিরুদ্ধে। আমাদের রাজ্যে আমরা খুব অসহায়। মাফিয়ারা দেশ নিয়ে নিয়েছে। সর্বদলীয় দলেরা নিজেদের মধ্য সমঝোতা করে নিয়েছে বহুদিন হলো যে তারা কখনো নিজেদের মধ্যে কাউকে শাস্তি দেবে না। রাজ্যের মানুষদের যেন বিন্দু মাত্র সচেনতটা নেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার। দেখছেন না তামাশা? জেল খাটা  অপরাধী সে আজ টিভিতে বসে নানা রকমের কথা বলে চলছে। মিডিয়া এই মাফিয়াদের সাথে যুক্ত। আমাদের কোনো উপায় নেই আবার দেশকে স্বাধীন করার এই মাফিয়াদের হাত থেকে। লোকসভা অপরাধীতে ভর্তি। বিশ্বের কোনো দেশে কোনো অভিযুক্ত বা অপরাধী নির্বাচনে দাঁড়াতে পারে না। অথচ দেশের কোনো প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট বা কোনো সাংসদ কোনোদিন প্রতিবাদ করেনি যে এই অপরাধীপূর্ণ  লোকসভায় তিনি ঢুকবেন না। ছাত্র বিপ্লব ছাড়া এই মাফিয়া শাসন মুক্ত করা সম্ভব না। তবুও লিখেছিলাম কয়েকটা রিফর্মের কথা যাতে আমাদের রাজ্যকে খানিকটা পাল্টানো যায়। সেটাই আপনাদের কাছে বলছি।:

১) পুলিশ রিফর্ম। আমাদের পুলিশ রিফর্ম করতেই হবে। পুলিশকে সরকারের কব্জা থেকে ছাড়িয়ে আনতে হবে আইন করে। মনে করুন এক নতুন সরকার এসে আইন পাশ করলো যেখানে কোনো নেতা, কাউন্সিলর, মন্ত্রী বা আমরা কেউ পুলিশের সাথে কোনো ব্যাপারে কথা বলতে পারবে না। এদেশের মতো অর্থাৎ কানাডার অনুরূপ। কোনো মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রী পুলিশের সাথে কোনো কথা বলে না। পুলিশ কোনো মন্ত্রীকে পাহারা দেয় না বা স্যালুট করে না। পুলিশ চালায় এদেশের মিউনিসিপালিটি একটা সিভিল কমিশন দিয়ে। এই কমিশন পুলিশের কাজ দেখে। পুলিশের প্রমোশন বদলি সব পুলিশ কর্তারাই করে থাকে। সরকারের  কোনো অধিকার নেই এখানে কোনো রকমের হস্তক্ষেপ করার। আমাদের পুলিশের যথেষ্ট দক্ষ। কিন্তু তাদের স্যালুট করতে হয় একজন অশিক্ষিত গুন্ডা কাউন্সিলর বা মন্ত্রীকে। আইন আনতেই হবে যাতে কনস্টেবল থেকে যেকোনো পুলিশ অফিসার বুক ফুলিয়ে নির্ভয়ে কাজ করতে পারে। মনে করুন একটা পাঁচ জনের কমিশন করা হলো অবসর প্রাপ্ত বিচারপতি, সচিব, পুলিশ কর্ত্তাদের নিয়ে। এরা পুলিশের ভালো মন্দ দেখবেন। এদের হাতে সম্পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া হবে ইলেকশন কমিশনের মতো। এদের নিজস্ব একদল পুলিশ থাকবে  যারা "ওয়াচ  ডগ " হিসাবে সারা রাজ্যের পুলিশের কাজ কর্মের হদিশ রাখবে। নাগরিকদের হেনস্থা করলে, তাদের রক্ষা না করলে কমিশনের পুলিশ এদের গ্রেপ্তার করে স্পেশাল আদালতে তুলবে। নতুন করে পুলিশের শিক্ষা দিতে হবে যেখানে শেখানো হবে কি করে ভয় না পেয়ে মন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করতে পারে যদি সে আইন ভঙ্গ করে। তারজন্য চাই বিধান রায়ের মতো রাজধর্ম পালন করা মুখ্যমন্ত্রী। পুলিশের নানা অভিযোগ হতাশা আছে।  বহুক্ষণ কাজ, বাড়ি থেকে অনেক দূরে পরে থাকে মাসের পর মাস। কোনো ওভার টাইম নেই, কোনো সন্মান পান না। কেউ এদের জন্য ভাবে না গালি দেওয়া ছাড়া। আরো বহু কাজ করতে হবে এই পুলিশ রিফর্ম নিয়ে। (ক্রমশঃ)

মল্লিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিচার রাইটার ও লেকচারার, আহমেদাবাদ:

রাজস্থানের ঝুনঝুনু জেলায় চারশো বছরের পুরোনো এই মন্দির দাদীমা কি মন্দির নামে পরিচিত। অনেক খানি জায়গা জুড়ে এই মন্দির প্রাঙ্গনে, ঢোকার মুখেই বিশাল গেটের ওপর সিংহবাহিনী দেবী মুর্তি। স্থানীয় মানুষ ছাড়াও দূরদূরান্ত থেকে রাজস্থানীরা আসেন এই মন্দিরে মানত করতে। তাদের বিশ্বাস এখানে মানত করলে ইচ্ছা পূরণ হবেই। মন্দির প্রাঙ্গণে মহাদেব, গণপতি রাম, সীতা ও হনুমানজীর মন্দিরও আছে। আসল মন্দিরে ফোটোগ্রাফী তোলা মানা—সেখানে বিশাল চত্ত্বর জুড়ে তেরোটি সতীমাতার মন্দির। একটি প্রধাণ বাকী বারোটি ছোটো মন্দির একপাশে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে। সুন্দর মার্বেল পাথরের ওপর নানা রঙের মীনাকারির কাজ দিয়ে সাজানো মন্দিরের মেঝে দেওয়াল অপূর্ব শৈল্পিক কর্মের সাক্ষর। প্রাঙ্গণের মাঝে একটি বিশাল ত্রিশূল, সেটিই পূজো হয়।

মন্দিরে ভক্তদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা আছে, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন শৌচালয়, চারিদিকে সিকিউরিটি গার্ডের ছড়াছড়ি।

মন্দিরের ইতিহাস বাইরের বইয়ের দোকানে হিন্দীতে লেখা একটি পাতলা বইতে পাওয়া যাচ্ছে। চারশো বছর আগে হরিয়ানার প্রান্তে  মহম নগরে আগরওয়াল পরিবারে জন্ম নেয় একটি ফুটফুটে কন্যা-দেবী দুর্গার নামে তার নাম রাখা হয় নারায়ণী। ছোটো থেকেই সব রকম খেলাধুলা, ঘোড়া চালানো, তীর ছোঁড়ায়, অসি চালনায় দারুন পারদর্শী ছিলেন। কথিত আছে ছোটো থেকেই ওনার কিছু বিশেষ ক্ষমতা ছিল---তাদের গ্রামে মাঝে মাঝেই এক ডাইনি এসে ছোটো বাচ্ছাদের তুলে নিয়ে যেত। নারায়ণীর এক বান্ধবীকে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে নারায়ণী পথ আটকে দাঁড়াতেই সে ডাইনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে এবং তারপরে দেবীকে চিনতে পেরে ক্ষমা চায়।

এরপরে হিসার রাজ্যের দেওয়ান জালান্ধরজীর ছেলে তনধনদাসজীর সাথে নারায়ণীর বিবাহ ধুমধাম সহকারে সম্পন্ন হয়। যৌতুকে নারায়ণীর পিতা ঘুর্সমালজী মুল্যবান নানান সামগ্রীর সাথে একটি শ্যামকর্ণ ঘোড়া উপহার দেন জামাতা তনধনদাসজীকে। অতি সুন্দর ঘোড়াটি ছিল তনধনদাসজীর ভারী প্রিয়। তাতে চড়েই তিনি শ্বশুরবাড়ী যাতায়াত করতেন। হিসার রাজ্যের নবাবের তখন সারা উত্তর ভারতে প্রবল প্রতিপত্তি। নবাবের পুত্রের ভারী পছন্দ হল দেওয়ান পুত্র তনধনদাসজীর সেই শ্যামকর্ণ ঘোড়াটি। এর ওপর নবাব পুত্রের বন্ধুরাও তাকে উসকানি দিতে থাকে যাতে ঘোড়াটি দেওয়ান পুত্রের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়। নবাব চাপ দিয়ে দেওয়ানের কাছ থেকে ঘোড়াটি নিজের পুত্রের জন্য যোগাড় করতে চেয়েও ব্যর্থ হন কারণ ঘোড়াটি দেওয়ানের নয় তনধনদাসের যৌতুকে পাওয়া।

এরপর অতর্কিতে নবাবপুত্র আক্রমন করেন দেওয়ানের হাভেলী,---উদ্দেশ্য ছিল শ্যামকর্ণ ঘোড়াটি ছিনিয়ে আনা। কিন্তু ভালের আঘাতে মারা যান নবাবপুত্র আর সে রাতেই  সপরিবারে হিসারের দেওয়ান পালান পাশের শক্তিশালী শত্রু রাজ্য ঝুনঝুনুতে। বর্তমানে ঝুনঝুনু রাজস্থানে। হিসারের নবাব পুত্রশোকে পাগল হলেও ঝুনঝুনুর মত শক্তিশালী রাজ্য আক্রমন করে যুদ্ধ ডাকতে চাননি সেই মুহূর্তে।

রাজস্থানে  মেয়েদের বিয়ে সাত আট বছরেই দিয়ে দেওয়া হলেও তারা শ্বশুরবাড়ী যেত পনেরো ষোলো বছর বয়স হলে---একে বলে মুকলাবা। কয়েক বছর পরে নারায়ণীর বাবাও শুভমুহূর্ত দেখে মুকলাবার উদ্দ্যেশ্যে নিমন্ত্রণ করলেন জামাই তনধনদাসজীকে মহম নগরে।অনুষ্ঠানের দিন চারেক আগেই এসে পৌঁছান তনধনদাসজী তাঁর শ্যামকর্ণ ঘোড়ায় চেপে।

মুকলাবা শেষ হতেই পাল্কিতে নারায়ণীকে চাপিয়ে ঝুনঝুনুর দিকে  রওনা দেন তনধনদাসজী। যাত্রার দিন সকাল থেকেই ছিল নানান অশুভ সংকেত তবু সব অগ্রাহ্য করে যাত্রা করেন তনধনদাসজী নারায়ণী সহ, সঙ্গে অল্প ঝুনঝুনুর সৈনিক। ঝুনঝুনুর পথে দেবসার নামে এক জায়গায় হিসার সৈন্যরা অতর্কিতে  আক্রমন করে, প্রচন্ড লড়াই চলে। তনধনদাসজী ও ঝুনঝুনার সৈনিকরা মারা যান। এরপর কি ঘটছে বুঝতে না পেরে পাল্কি থেকে বেরিয়ে আসেন নারায়ণী। স্বামীর মৃতদেহ দেখে উপস্থিত হিসার সৈন্যদের একাই কচুকাটা করেন। চারপাশে মৃতদেহ আর রক্ত স্রোতের মাঝে দাঁড়িয়ে চীৎকার করতে থাকেন নারায়নী—“কোই হ্যায় তো বাহার আও।“ শ্যামকর্ণ ঘোড়ার সেবক রাণাজী একমাত্র বেঁচেছিলেন। তাকে দেখেই নারায়ণী বলেন—“সূর্যাস্ত হতে যাচ্ছে, চিতা সাজান রাণাজী, আমি সতী হতে চাই।“ রাণাজী বারবার ঝুনঝুনু যেতে বললেও নারায়নী সহমরণে যান আর নির্দেশ দেন তিনদিন পরে চিতা ঠান্ডা হলে সেই ছাই চুনরীতে বেঁধে ঘোড়ার পিঠে চেপে রাণাজী যেন ঝুনঝুনু ফেরেন। ঘোড়া যেখানে থামে সেখানেই চবুতারা বানিয়ে ভষ্ম রাখা হয়। আজ সেখানেই রাণী সতী মাতা মন্দির। অনেক অলৌকিক ঘটনাও জুড়ে আছে এই মন্দির ঘিরে। 

তবে মন্দিরের  নানান জায়গায় লেখা আছে তাঁরা সতীদাহ প্রথা সমর্থণ করেন না। মন্দিরটি ঝুনঝুনু বাসস্ট্যান্ড থেকে তিন কিমি দুরে, জয়পুর বা দিল্লী থেকে বাসে অথবা ট্রেনে ঝুনঝুনু আসা যায়। কাছেই পিলানীতে বিড়লাদের প্রতিষ্ঠিত ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট বিটস পিলানী খুবই বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান।

(ছবি সৌজন্যে: প্রতিবেদক স্বয়ং)


সাজিয়া আক্তার, রেসিডেন্সিয়াল এডিটর (বাংলাদেশ), দ্য অফনিউজ:

পরিবারের মেজো সন্তানকে নিয়ে অনেক সময় বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তার সীমা থাকে না। কারণ বেশিরভাগ সময়ই পরিবারের মেজ সন্তানকে হতে দেখা যায় স্বাধীনচেতা, আত্মনির্ভরশীল এবং একেবারে আলাদা মন-মানসিকতার মানুষ। কিন্তু সত্যিকার অর্থে পরিবারের মেজ সন্তানটি হয়ে থাকে সবচেয়ে ভালো মনের মানুষ। 

পরিবারের বড় সন্তানেরা অনেক বেশি আত্মত্যাগী ও ছোটরা উড়নচণ্ডী ধরনের হয়ে থাকে বলে অনেকেরই বিশ্বাস। কিন্তু মেজর বৈশিষ্ট্য কিন্তু সহজে চোখে পড়ে না। তারা কতটা চিন্তা করে চলে তাও অনেকে বুঝতে পারে না। আর তাদের এই ধরনের চিন্তাই তাদের করে তোলে একেবারে আলাদা ও ভালো মানসিকতার।

এখানে পরিবারের মেজ সন্তানের ব্যাপারে কিছু অজানা তথ্য দেওয়া হলো।

‘মিডল চাইল্ড সিনড্রোম’ বিষয়টি ভুল ধারণা: প্রচলিত রয়েছে যে- মেজ সন্তানেরা একটা বিষয় নিয়ে ক্ষুব্ধ থাকে, তারা তাদের পরিবারের বড় এবং ছোট সন্তানদের মতো তেমন মনোযোগ পায় না। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেজ সন্তান পারিবারিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে কিছুটা বঞ্চিতবোধ করলেও তারা এ বিষয়ে তিক্ত হয় না। ‘দ্য সিক্রেট পাওয়ার অব মিডল চিলড্রেন’ বইয়ের সহ-লেখক ক্যাটরিন শ্যুমানের মতে, “মেজ শিশুদের ‘সিনড্রোম’ নিয়ে বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা থাকে, এটি বললে ভুল হবে না। কিন্তু তারা অবহেলিত এবং অবমূল্যায়নবোধ করে না, তারা এর মাঝেই বেড়ে উঠে এবং পরিবারের পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারে।’

মেজ সন্তানেরা বিশ্বস্ত বন্ধু তৈরি করে: ‘দ্য সিক্রেট পাওয়ার অব মিডল চিলড্রেন’ বইয়ের সহ-লেখক এবং রেডল্যান্ড ইউনিভার্সিটি ক্যালিফোর্নিয়ার সাইকোলজির অধ্যাপক ড. ক্যাথরিন স্যালমনের গবেষণা থেকে জানা যায়, বড় এবং ছোট সন্তানেরা হয়তো বলে থাকে যে তারা বৃদ্ধ বয়সে তাদের বাবা-মা’র পাশে থাকবে কিন্তু মেজরা নিজেদের ভাই-বোনকে একসঙ্গে থাকার জন্য বেছে নেয়। এর কারণ হলো তারা তাদের বাবা-মা’র সঙ্গে কম সময় কাটিয়ে থাকে। স্যালমন আরো বলেন, মেজরা বন্ধুদের মূল সম্পদ মনে করে এবং যারা তাদের বন্ধু হয় তাদের সঙ্গে বিশ্বাসযোগ্য আচরণ করে।

মেজরা অনেক দক্ষ হয়ে থাকে: মেজ সন্তানেরা অন্যদের দেখতে দেখতে বড় হয়ে থাকে। যখন বড় এবং ছোট সন্তানেরা বাবা-মা’র ওপর নির্ভরশীল থাকে, তখনই মেজ সন্তানেরা নিজের মতো করে চলা শেখে এবং নিজের স্বাধীনতা সম্পর্কে জানতে শেখে।

মেজ সন্তানেরা শান্ত হয়ে থাকে: ড. গেল গ্রসের মতে, মেজ সন্তানেরা অন্যের প্রতি সহযোগী মনোভাব দেখায় এবং সবকিছুর ক্ষেত্রেই ন্যায়বিচার করে থাকে। তাদের জন্ম থেকে সবকিছুই কমপক্ষে একজনের সঙ্গে ভাগাভাগি করা অভ্যাস থাকে। এই অভ্যাস তাদের ভবিষ্যতে অসাধারণ গুণের অধিকারী করে তোলে। যেহেতু তারা অনেক শান্ত স্বভাবের হয়ে থাকে তাই তারা মানুষের সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলার গুণ পেয়ে থাকে, কারণ তারা বুঝতে পারে একজন মানুষের সঙ্গে কখন কেমন ব্যবহার করতে হবে। এই জন্য তারা কর্মক্ষেত্রে সাফল্যের দেখা পেয়ে থাকে। বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা মেইন্ডা গেটস ফাউন্ডারের সিইও প্যাটি স্টোনসিফার বলেন, ‘মেজ সন্তান হওয়ায় আমি নিজের মনোভাব সঠিকভাবে ব্যবহার করতে শিখেছিলাম। আমি খুবই বাঁচাল প্রকৃতির ছিলাম, আমার অনেক কথা বলার থাকতো এবং ছোটবেলা থেকেই বুঝেছিলাম অনেকের মাঝে কীভাবে নিজের চাওয়া পূরণ করতে পারি।’

তারা ভিন্ন ধরনের মানুষের সঙ্গে সহজেই মিশতে পারে: স্টোনসিফার বলেন, ‘একটি বড় ডাইনিং টেবিলে খেতে বসার সুবিধা হলো মানুষ অবশ্যই দ্বিমত পোষণ করবে এবং তারা তাদের মতামত উপস্থাপন করবে, আমার জন্য এটা খুবই স্বাভাবিক ছিল। তাই আমি খুব স্বাভাবিকভাবেই মানুষের ভিন্নমতের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারি। যতক্ষণ পর্যন্ত তারা ভালো এবং বাজে আচরণ না করে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেগুলো সব দারুণ উপকারী।’

তারা যৌনতার বিষয়ে খুবই দুঃসাহসিক: ক্যাটরিন শ্যুমানের ‘দ্য সিক্রেট পাওয়ার অব মিডল চিলড্রেন’ বইয়ের তথ্যানুযায়ী, মেজ সন্তানেরা যৌনতার ব্যাপারে খুবই খোলাখুলি এবং দুঃসাহসিক। তারা যৌনজীবনে ছোট সন্তান এবং বড় সন্তানের থেকে বেশি সুখী হয়।

মেজ সন্তানেরা সাধারণত অন্য পরিবারের ছোট সন্তানের প্রেমে পড়ে: সাইকোলজিস্ট ড. কেভিন লেম্যানের মতে, এক পরিবারের মেজো সন্তান এবং আরেক পরিবারের ছোট সন্তানের দাম্পত্য জীবন অসাধারণ হয়ে থাকে। মেজ সন্তানেরা যেখানে একটু নন-কনফ্রনটেশনাল হয়ে থাকলেও বিপরীতে ছোটরা হয়ে থাকে চঞ্চল, যা তাদের একসঙ্গে চলার ক্ষেত্রে দারুন সহায়তা করে।

মেজ সন্তানেরা সুপার সাকসেসফুল হয়ে থাকে: বিখ্যাত কয়েকজন সুপার সাকসেসফুল ব্যক্তিত্ব বিল গেটস, কিম কার্দাশিয়ান, জেনিফার লোফেজ, ম্যাডোনা এবং প্রিন্সেস ডায়না, তারা প্রত্যেকেই বাড়ির মেজ সন্তান। শ্যুমানের মতে, ‘লোকে শুধু মেজ সন্তান হওয়ার খারাপ দিকগুলো দেখে এবং ভালো দিকগুলো এড়িয়ে যায়। এই এড়িয়ে যাওয়ার কারণেই মেজ সন্তানেরা দক্ষতা, সহানুভূতিশীলতা এবং নমনীয়তাসহ অন্যান্য গুণে গুণান্বিত হতে পারে, তারা সাধারণের বাইরে চিন্তা করতে পারে। যখন তারা জানতে পারে মেজ হওয়ায় তারা কত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস শিখেছে, তারা ততক্ষণে হয়তো সফলতার সিংহাসন আরোহণ করে ফেলেছে।’

সাজিয়া আক্তার, রেসিডেন্সিয়াল এডিটর (বাংলাদেশ), দ্য অফনিউজ:

ভারতে ‘সঙ্গিনীর’ খোঁজে প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছে একটি বাঘ। তবুও তার সঙ্গিনী জোটেনি। 

ভারতে কোনো বাঘের এতটা দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার বিষয়টি একটি রেকর্ড। এখন বাঘটি মহারাষ্ট্রের একটি অভয়ারণ্যে আছে। সেখানে সে একা, একজন সঙ্গিনীর অপেক্ষায় আছে।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা এই পুরুষ বাঘটিকে ‘ওয়াকার’ নামে ডাকেন। তার বয়স এখন সাড়ে তিন বছর। বাঘটি মহারাষ্ট্রের একটি অভয়ারণ্যে ছিল। গত বছরের জুনে সেখান থেকে বেরিয়ে পড়ে সে।

তখন বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছিলেন, বাঘটি সম্ভবত শিকার, উপযুক্ত বাসস্থান বা সঙ্গিনীর খোঁজে মহারাষ্ট্রের ওই অভয়ারণ্য থেকে বেরিয়ে পড়েছে।

বাঘটির গলায় রেডিও কলার লাগানো ছিল। এই রেডিও কলারের তথ্য অনুযায়ী, ৯ মাসে বাঘটি প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছে। এই সময়ে সে মহারাষ্ট্রের সাতটি জেলা ও পাশের তেলেঙ্গানা রাজ্য ঘুরেছে।

গত মার্চ মাসে বাঘটি মহারাষ্ট্রের আরেকটি অভয়ারণ্যে বসতি গড়ে। এ বছরের এপ্রিলে তার গলার রেডিও কলার খুলে নেওয়া হয়।

মহারাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ বন কর্মকর্তা নিতিন কাকোদকর বলেন, বাঘটির উপযুক্ত বাসস্থানের সমস্যা নেই। তার শিকারও আছে যথেষ্ট।

বন কর্মকর্তারা বলছেন, বাঘটি এখন মহারাষ্ট্রের যে অভয়ারণ্যে আছে, সেখানে সে-ই একমাত্র বাঘ। তার জন্য এই অভয়ারণ্যে কোনো বাঘিনীকে আনা যায় কি না, তা নিয়ে তাঁরা ভাবছেন। তবে কাজটি সহজ নয়।

সাজিয়া আক্তার, রেসিডেন্সিয়াল এডিটর (বাংলাদেশ), দ্য অফনিউজ:

হলুদের গুঁড়ো, শুকনো মরিচের গুঁড়ো হয় এটা সবার জানা। তবে কাঁচা মরিচেরও যে গুঁড়ো হয় সেটা অনেকেরই হয়তো জানা নেই। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রান্নার কাজে দরকারী এক উপাদান কাঁচা মরিচ। যে কোনো ধরনের তরকারি, স্যালাড কিংবা অন্যান্য অনেক খাবারেই এটি ব্যবহার হয়ে থাকে।

কাঁচা মরিচে রয়েছে ক্যাপসেইসিন নামের একটি উপাদান। এই ক্যাপসেইসিন শরীরের প্রদাহ ও বাতের ব্যথা কমায়। আমেরিকার ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ বলছে, টাটকা সবুজ কাঁচা মরিচে যে ক্যাপসেইসিন আছে, তা ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি রোধ করতে পারে।

তাই কাঁচা মরিচে কেবল ঝালই নেই, আছে নানা উপকারী উপাদানও। এতে রয়েছে ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। তাই দীর্ঘদিন কাঁচা মরিচ গুঁড়ো ঘরে সংরক্ষণ করুন। এতে করে দাম বেশি হোক বা কম আপনাকে আর মাস ছয় কিনতেই হবে না। জেনে নিন কাঁচা মরিচ গুঁড়ো সংরক্ষণের উপায়-

যেভাবে কাঁচা মরিচ গুঁড়ো করবেন: প্রথমে কাঁচা মরিচ ভালোভাবে ধুয়ে নিন। ধোয়া হলে চার ফালি করে কাটুন। এবার একটি ট্রেতে শুকাতে দিন। চার থেকে পাঁচ দিন এভাবে শুকিয়ে নিন। ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে গুঁড়ো করে নিন। গুঁড়োগুলো আবার একটু শুকিয়ে বায়ু নিরুদ্ধ পাত্রে রেখে সারা বছর সংরক্ষণ করুন।

সাজিয়া আক্তার, রেসিডেন্সিয়াল এডিটর (বাংলাদেশ), দ্য অফনিউজ:

ফ্রান্সের সর্বশেষ রানি মারি-আনতোয়ানেতের জুতা এটি। সম্প্রতি এটি নিলামে উঠানো হয়। ছাগলের চামড়া দিয়ে তৈরি জুতা জোড়াটি বিক্রি হয়েছে বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৪৩ লাখ টাকা। 

জানা যায়, ১০-১২ হাজার ডলার পর্যন্ত দাম উঠতে পারে, এমনটাই ধারণা ছিল অনসেন্ট নিলাম হাউসের কর্মকর্তাদের। কিন্তু নিলামে তোলার পর সারা বিশ্ব থেকে ডাক উঠতে থাকে। শেষ পর্যন্ত তা বিক্রি হয় ৫১ হাজার ডলারে অর্থাৎ ৪৩ লাখ টাকায়। 

জুতাটি প্রায় আড়াইশ বছরের পুরনো। জুতাটির দাম একটু বেশি। শুধু সংগ্রহে রাখার জন্য এতো টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছেন এক ক্রেতা। যদিও তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। 

সাদা রংয়ের, আট দশমিক আট ইঞ্চি লম্বা এ জুতা ছাগলের চামড়া দিয়ে তৈরি। কিছুটা উঁচু হিলের এ জুতার ওপরের অংশটি রিবন দিয়ে সাজানো। 

দেশটির ষোড়শ রাজা লুই এর স্ত্রী মারি-আনতোয়ানেতে ১৭৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রানি ছিলেন। বছর দুয়েক আগে রানির ব্যবহৃত অলংকারও নিলামে তোলা হয়েছে। যা কয়েক মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়।

অর্পিতা দে, সাংবাদিক, কলকাতা:

“All men are same they just have different names “ 

হ্যাঁ, প্রত্যেকেই সমান তাদের শুধু নামটা আলাদা প্রত্যেকের গল্পেই মিল পাবেন কারোর ব্যার্থতার গল্প, কারোর দায়িত্ব বান হওয়ার গল্প, কারোর এক পলকেই সবটা হারিয়ে ফেলার গল্প, তারা দায়িত্ব বান তারা কাজ পাগল কারণ, পুরুষ মানুষ হয়ে কাজ করেনা? শুনলেই চক্ষু চড়কগাছ আরে ছেলেটা বেকার খাওয়াবে কি? কে নেবে ওর বাবা মা বৌ বাচ্ছার দায়িত্ব? যেন খাওয়ানোর দায়িত্বটা তার একার, একে বেকারত্বের জ্বালা তার উপর গালফ্রেন্ডের অন্যত্র বিয়ে কারন মেয়ের বাড়ি বলেছে প্রেম দিয়ে পেট ভরেনা বেকার ছেলে বিয়ে দেবেনা তারা, মন ভাঙ্গে এভাবে রোজ কত জনের সে হিসাব রাখিনা কারন পুরুষদের যে কাঁদতে নেই বরং হাসি মুখে বলতে হয় ওর বিয়ে হয়ে গেল রে, কখনো কোনো মেয়ে কলেজে পড়ছে শুনলে বলা হয় ওনেক বড় হল এবার একটা ভালো ছেলে দেখে বিয়ে দিয়ে দাও, যেন মেয়েটা পড়াশোনা করছেই ভালো ছেলের কাঁধে গচে যাওয়ার জন্য, আর সেই ভালো ছেলের ডেফিনিশন হল ভালো চাকরি অর্থাৎ মোটের ওপর সরকারি চাকরি, আর যদি কোনো ছেলে বছর তিনেক দিন রাত এক করে পড়াশুনা করে একটা সরকারি চাকরি পায় প্রথম মন্তব্য আসে এবার তো আর তোর মেয়ের ওভাব হবে না যেন সে দিন রাত এক করে পড়ল শুধুমাত্র যাতে বিয়ে করার মেয়ের ওভাব না পরে, আর ছেলে যদি বেসরকারি চাকরি করে প্রথম কথাই ক টাকা পাও বউ খাওয়াতে পারবে তো? 

আর যদি কোনো ছেলে বেকার হয় তাকে শুনতে হয় দিদি তো পড়াশুনা করেছে শ্বশুর বাড়ি যাবে তুই কোথায় যাবি? কে খাওয়াবে তোকে? ছেলে বিদেশ গেলে মা একা থাকলেও শুনতে হয় তুই তো বাবা বিদেশে ভালোই আছিস, এটা বোঝেনা শিকড়ের টান ফেলে ভালো থাকাটাও এক প্রকার অস্বস্তি, খারাপ দেখতে কোনো ছেলের ভালো দেখতে বউ হলেই শুনতে হয় নিশ্চই সরকারি চাকরি করে এ ছেলে, আর যদি জানা যায় সে সরকারি চাকুরে নয় সাথে সাথে এটা শুনতে হয় কি দেখে বিয়ে করল বল তো?? যেন পুরুষ মানুষের ভালো দেখতে বা ভালো চাকরি করা ছাড়া  কোনো ক্যুয়ালিটি থাকতেই পারেনা, সব  দায় দায়িত্ব মোট কথা ছেলেদের, কখনও ছেলে হিসেবে কখনও স্বামী হিসেবে কখন পিতা হিসেবে, আর সবাইকে হাসি খুশি রাখার জন্যে সবটা হাসি মুখে তারা মেনেও নেয়!!  তবে হ্যাঁ একথা বলা বাহুল্য কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা সমাজেরই অংশ, 

ভালো থাকুক প্রত্যেক পুরুষ পাক তাদের প্রাপ্য সম্মান। পুরুষ দিবস ও পরিচিতি পাক বাকি সব দিবসের মত। 

Happy men’s day...

মৌসুমী প্রামাণিক, লেখিকা, কলকাতা:

গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন মিডিয়ায় পশ্চিমবঙ্গের বামপন্থী তথা সিপিএম নেতাদের বক্তব্য শুনে ও সোসাল মিডিয়ার কিছু সমর্থক তথা পার্টিকর্মীদের লেখা পড়ে আমার মনে হয়েছে যে অত্যন্ত কনট্রাডিকটারি এই মুহূর্তে ওনাদের অবস্থান। ওনারা বলছেন তৃণমূল ও বিজেপি দুটো দলই ক্ষমতালোভী তাই ভোটে জিততে চাইছে। দুটো দলই ডাকাত। বাংলা সংস্কৃতির উপর আঘাত আনবে। বুঝলাম। মানছিও।  কিন্তু ওনারা তবে কিসের আশায় নির্বাচন লড়ছেন? জেতার জন্যই তো রাজনৈতিক দল নির্বাচনে লড়াই করে। তা আপনারা কি ক্ষমতায় আসতে চাইছেন না? গনতন্ত্রে টিকে থাকতে গেলে নাকি নির্বাচনে লড়তে হবে! তার মানে কমিউনিস্টদের আজকে অস্তিত্ব রক্ষার জন্য ভাবতে হচ্ছে? কিন্তু কেন? কারণ ক্ষমতার লোভ ওনাদেরও বশীভূত করেছে।

হয় ওনারা না ঘরকা না ঘাটকা হয়ে রয়ে গিয়েছেন। নয়তো দু'নৌকায় পা দিয়ে চলছেন। এভাবে চলতে থাকলে ওনারা তো আরো ডুববেন; অস্তিত্ব বলে কিছু থাকবেই না! 

ওনারা কি এখনও মানুষকে বোকা ভাবছেন? যেযেমন খুশী যখন খুশী ব্রেনওয়াশ চলতে পারে!  যে নীচুতলার কর্মীদের সিপিএমের হয়ে তোলাবাজি করতে দেখেছি তারাই এখন তৃণমূলের হয়ে করছে। বিজেপি এলে বিজেপির হয়ে করবে। তবে পরিবর্তনটা কোথায় ও কিসের? একদিকে বিজেপিকে প্রধান শত্রু বলছেন অন্যদিকে বিরোধিতা করতে গিয়ে তৃণমূলকে বেশী গাল পাড়ছেন। এটা কি দ্বিচারিতা নয়? অবস্থানটা পরীষ্কার করতে হবে তো! আচ্ছা মানুষ ওনাদের ভোট দেবে কেন বলুনতো? কি পারফর্মেন্স দেখিয়েছেন ওনারা গত ক'বছরে? সমস্ত ব্যাংকগুলোতে বামপন্থী ইউনিয়ন। অথচ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক লুট হয়ে গেল। আটকাতে পেরেছেন? অন্ততপক্ষে একখানা জবরদস্ত লড়াই দিতে পেরেছেন? না! রেলসহ একটার পর একটা পিএসইউর বেসরকারিকরণ হচ্ছে কিছু করতে পারছেন? না! একটা বহুমুখী সফল জন আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেননি ওনারা। অথচ বিপ্লব, আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই মানুষের পাশে থাকার কথা ওনাদের। বিহারে কটা সিট পেয়ে আবার অলীক স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন; বাংলা দখলের।

মিমকে অযথা ভয় পাচ্ছেন নাকি মিম তৃণমূলের মুসলিম ভোট কাটবে ভেবে আনন্দিত হচ্ছেন ঠিক বুঝতে পারছি না। ওনারা মুসলিমদের ভোট পাবেন না কেন? তাছাড়া এইভাবে ওনারাও তো সেই ভোটারদের ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ করছেন। তাহলে ওনারা অন্য দুই দলের থেকে কিসে আলাদা?

ওনারা এতটাই কনফিউজড যে কাকে শত্রু ভাবছেন আর কার বিরুদ্ধে লড়ছেন সেটাই এখনও স্থির করে উঠতে পারেন নি। কাদের পাশে থাকবেন আর থাকবেন না তাই বুঝে উঠতে অসমর্থ হচ্ছেন।

যে গরীবের কথা ওনারা বলতেন, গরীবের হয়ে লড়াই করতেন তারা কি আদৌ গরীব আছেন আর? আদ্যিকালের শ্রেণী বিভাজন করে আর ক্ষমতায় ফেরা যাবে না কমরেড! গরীবরাই এখন সবচাইতে চালাক। ঝুট ঝামেলা করে কাজ নেই। যে ক্ষমতা দখল করবে তার ছাতার তলায় সটান চলে আসি বাবা! নইলে ভাতা, প্রভাতা, উপভাতা তো জুটিবে না!

 আর বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতির কথা বলছেন? ওনারা কবে আবার বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন? ক্ষমতায় আসার জন্য গননাট্য, গনসঙ্গীতকে অবলম্বন করেছিলেন।আবার ক্ষমতায় থাকাকালীন আমরা ওরা বিভাজন করেছেন।

যে মোদী আর মমতাকে ফ্যাসিস্ট বলেন ওনারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করে ফ্যাসিস্টগিরি করেন নি? নিজেদেরকে এতটুকু বদলাতে পেরেছেন??? অনেক অনেক ভাবতে হবে। ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে যা ওনারা করছেন বলে আদৌ মনে হচ্ছে না।

এইভাবে সিপিএম কোনদিনই ক্ষমতায় ফিরতে পারবে না বরং উত্তরোত্তর শেষ হয়ে যাবে। সমস্ত ধরনের মানুষের পাশে থেকে নতুন করে ভাবতে শিখতে হবে; পরিশুদ্ধ করতে হবে নিজেদের।  প্রয়োজন অনুসারে ফ্লেক্সিবল হতে হবে।  নইলে...শেষের সেদিন আর বেশী দূর নয়। গেরুয়া ধারীরা তো আবার লালেদের সহ্য করতে পারে না। তৃণমূল দলটা শেষ হলে ওনাদের চাইতে বেশী খুশী আর কেউ হবে না, এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত। তবে বিজেপিকে পরোক্ষভাবে আহ্বান করে নিজেদের বিপদ নিজেরাই ডেকে আনছেন না তো?

দেবর্ষি মজুমদার, লেখক, বীরভূম:

টি টোয়েন্টি প্রিমিয়ার লিগে রামপুরহাটের সুমন্ত ওরফে বিট্টু গুপ্তা। তাঁর এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত গোটা রামপুরহাট। রামপুরহাটের কামারপট্টি মোড়ে তাঁর বাড়িতে গুণমুগ্ধ শুভাকাঙ্ক্ষীরা শুভেচ্ছা জানিয়ে গেছেন এই কৃতী ভূমিপুত্রকে। বৃহস্পতিবার কোলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন তিনি।

জানা গেছে, ২৪ নভেম্বর মোট ৬টি ক্লাব খেলবে প্রিমিয়ার লিগে। সুমন্ত খেলবে কার্স্টন ক্লাবের হয়ে। মাত্র ৫ বছর বয়সে বাবা ব্যাঙ্ক আধিকারিক অনিল গুপ্তার হাত ধরে ক্রিকেটীয় পথ চলা। তারপর  ২০০০ সালে আণ্ডার ১৪ বাংলা দলে খেলা শুরু। তারপর ক্রমান্বয়ে ২০০৮-৯ সালে আণ্ডার ১৭, ২০০৯-১০ সালে আণ্ডার ১৯ এবং ২০১৭-১৮ সালে জাতীয় ক্রীড়ায় সিনিওর বাংলা টিমে যোগদান। এই সময় বিজয় হাজারে ট্রফিতে ৫০ ওভারের ওয়ান ডে ম্যাচ খেলেন। পাশাপাশি, সৈয়দ মুস্তাক আলি টি টোয়েন্টি খেলেন। মাঝে ইস্টবেঙ্গলে ৪ বছর খেলেন। ও মোহন বাগান ক্লাবের হয়ে ১ বছর খেলেন। পাশাপাশি, কালিঘাট ও বরিষা স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে ২ বছর খেলেন তিনি। রামপুরহাট ভাঁড়শালা মোড়ে দীঘির পাড়ে তাঁর কোচিং স্কুল ড্রিম স্কুল একাডেমী। সেখানেই নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরির পাশাপাশি এখনও প্রতিদিন সকাল ও বিকালে অভ্যাস করেন। তাঁর এই সাফল্যে বাবা অনিল গুপ্তা ও মা শোভা গুপ্তার পাশাপাশি বাংলার স্বনামধন্য খেলোয়াড় মনোজ তেওয়ারি ও বর্তমান অনুর্ধ উনিশের কোচ প্রণব নন্দী এবং সি এ বির ডাইরেক্টর জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের অবদান অনস্বীকার্য, বলে জানান তিনি।

সাজিয়া আক্তার, রেসিডেন্সিয়াল এডিটর (বাংলাদেশ), দ্য অফনিউজ:

উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক ও হরিয়ানার পর এবার মধ্যপ্রদেশ সরকারও জানিয়ে দিয়েছে, ‘লাভজিহাদ’ বন্ধ করতে দ্রুত আইন আনবে তারা। বিধানসভার পরবর্তী অধিবেশনেই এ নিয়ে বিল আনা হবে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরোত্তম মিশ্র।

নরোত্তম মিশ্র জানান, এই আইন ভঙ্গ করলে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। শুধু তাই নয়, জামিন-অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হবে। এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত ছাড়াও যারা জড়িত থাকবেন, তাদেরও মূল অভিযুক্ত হিসেবে ধরা হবে। মিশ্র বলেন, স্বেচ্ছায় ধর্ম পরিবর্তন করে বিয়ে করতে গেলেও এক মাস আগে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করতে হবে।

গত ৬ নভেম্বর কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা জানান, তার সরকার ‘লাভ জিহাদ’র বিরুদ্ধে আইন আনার চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। ওই একই দিনে হরিয়ানার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল ভিজ জানান, তার সরকারও এর বিরুদ্ধে আইন আনবে।

সাধারণত উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো ‘লাভ জিহাদ’ শব্দবন্ধটি ব্যবহার করে। তাদের যুক্তি, মুসলিম ছেলেরা হিন্দু মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে কৌশলে ধর্মান্তর করায়। চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতেই সংসদে কেন্দ্র জানিয়েছিল, কোনো কেন্দ্রীয় সংস্থাই ‘লাভ জিহাদ’র বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করেনি। আইনেও ‘লাভ জিহাদ’র অস্তিত্ব নেই।

কয়েক দিন আগে হরিয়ানার ফরিদাবাদের কাছে বল্লভপুরে একটি প্রেমের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিকিতা তোমর নামের ২১ বছরের এক তরুণীকে কলেজের সামনেই গুলি করে খুন করা হয়। অভিযুক্ত দুই যুবকই ভিন্ন ধর্মের। অভিযোগ ওঠে ‘লাভ জিহাদ’র। তার পরই বিজেপি শাসিত তিন রাজ্য উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা ও কর্নাটক এ নিয়ে সুর চড়াতে শুরু করে।

সাজিয়া আক্তার, রেসিডেন্সিয়াল এডিটর (বাংলাদেশ), দ্য অফনিউজ:

দীর্ঘ দিন তারুণ্য ধরে রাখতে কে না চায়। কিন্তু কিছু ভুল অভ্যাসের কারণে আমাদের দেখতে আসল বয়সের থেকেও অনেক বেশি বয়স্ক মনে হয়।তবে খুব সাধারণ কিছু বিষয় মেনে চললে আসল বয়সের চেয়ে দশ বছর কম দেখাবে নারীদের।

চলুন জেনে নেয়া যাক সেই বিষয়গুলো-

১. ঘুমানোর সময় উপুড় হয়ে না শুয়ে সোজা থাকুন। উপুড় হয়ে ঘুমালে ত্বক ঝুলে যায়, রক্ত চলাচল বাধা পায়।

২. সকালের মিষ্টি রোদ থেকে যেমন আমরা প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি পাই। তেমনি প্রখর রোদে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি চোখের জন্য ক্ষতিকর। আমাদের চোখের চারপাশের ত্বক বেশি কোমল হয়। ফলে ক্ষতিটাও দ্রুত হয়, বয়সের ছাপ পড়ে, ডার্ক সার্কেল দেখা দেয়। এজন্য রোদে অবশ্যই সানগ্লাস ব্যবহার করুন।

৩. চিপস বা চিকেন ফ্রাই খেতে যতই পছন্দ করেন, স্বাস্থ্য আর সৌন্দর্যের কথা মাথায় রাখুন। প্রচুর ফল-সবজি, মাছ আর লাল-চাল, আটার তৈরি খাবার খান।

৪. দীর্ঘ সময় এসিতে থাকার ফলেও আমাদের ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। সব থেকে ভালো হয় এসিতে কম থাকলে। আর যদি থাকতেই হয়, তবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন নিয়মিত।

৫. সারাদিন যারা স্মার্টফোনে থাকেন, তখন হাতটা কোনো টেবিলে রাখুন। অথবা কথা বলার সময় ফোনটি হাত দিয়ে কানে ধরে রাখুন। নয়তো ত্বকে ভাঁজ পড়ে, ডাবল চিন হয়, চেহারা বুড়িয়ে যায়।

সুজিত দেবনাথ, ফিচার রাইটার ও শিক্ষক, মালদহ:

ভালো মানুষের জীবনে বারবার খারাপ কিছু আসে। শক্ত পাথুরে অনুর্বর মাটির বিপরীতে, ভালো মানুষরা ঠিক উর্বর নরম মাটির মতো হয়। উর্বর মাটিকে লাঙ্গলের ফলা দ্বারা কেটে চূর্ন বিচূর্ন করা হলেই, সেই মাটি সবুজ শস্যের জন্ম দিতে সক্ষম হয়। 

অনুরূপভাবে ভালো মানুষকে অনেক খারাপ পরিস্থিতি লাঙ্গলের মতো কেটে ভেঙ্গে চুরমার করে দেয়। আর ভালো মানুষগুলো তখনই কর্ষিত মাটির ন্যায় জীবনে ভালো কিছু জন্ম দিতে সক্ষম হয়। ভালো মানুষের জীবন প্রাকৃতিক পরিবেশের সব সূত্র দ্বারা পরিচালিত হয়। তাদের জীবনে রাত আছে, দিন আছে, সূর্যোদয় আছে, সূর্যাস্ত আছে, চ্যালেঞ্জ আছে, ক্ষুদ্র পরাজয় আছে, বৃহৎ জয় আছে। হয়তো আপনি এখন রাতে আছেন, শুধু জানবেন সূর্যোদয় হবে। 

যে নকল করে পরীক্ষায় পাস করে, আপাতদৃষ্টিতে তাকে সফল সুখী মনে হলেও সে ভীষন অসুখী মানুষ,কারন সে কখনো নিজেকে বিচার করার সুযোগই পেল না। অবশ্য এই সমস্ত লোকগুলোই ভালো মানুষগুলোকে বিচার করতে আসে। তাদের পথে বাঁধা হয়ে আসে। খারাপের বাঁধাকে অতিক্রম করার সামর্থ্য থাকলেই তো আপনি ভালো। 

আর ভালো মানুষরা কোনরূপ নকল ছাড়াই জীবনের প্রত্যেকটা পরীক্ষা দিয়ে সফল হতে চায়। তাই তারা হয়তো কিছুবার আশানুরূপ ফল না পেয়ে ব্যর্থ হতে পারে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে অবশেষে সফলতা নিয়েই বাড়ি ফেরে। ভালো মানুষগুলো টিকে থাকাটাকেই ভালো থাকা মনে করে। 

সে হলো ভালো মানুষ, যে কেটে চূর্ন বিচূর্ন হবার পরেও নিজের শুভ শক্তি দ্বারা খারাপকে জয় করতে পারে। যোদ্ধা তো সে ব্যক্তিই হয়, যে খারাপের বিচ্ছিন্ন সব আঘাতে শরীর জর্জরিত হয়ে যাবার পরও লড়তে থাকে, যতক্ষন প্রান থাকে শরীরে।

যখন আপনার শরীর বেয়ে রক্ত ঝরছে, তখন আপনি ভগবানের প্রতি হতাশ হয়ে যদি ভগবানকে বলেন-- প্রভু দেখো খারাপ লোকগুলো কতো সুখে আছে, যুদ্ধক্ষেত্রে ওদের শরীরে আঁচড় কাঁটা রক্ত নেই, আর আমি ভালোর জন্য লড়াই করেও কেন রক্তাক্ত?

তখন ভগবান বলবে-- তুমি শুধু লড়ে যাও, তোমার শরীরের ক্ষতগুলো নিরাময় হয়ে যাবে একদিন, খারাপগুলোর তো মুন্ডু যাবে একদিন যা কখনোই নিরাময় হবে না।

সুকন্যা পাল, ম্যানেজিং এডিটর, কলকাতা:

রাজ্যের পশ্চিম বর্ধমান জেলা জুড়ে একাধিক ক্যারাটে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। আর এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলির কোনও বৈধতা নেই। এমন গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন পশ্চিম বর্ধমান ডিস্ট্রিক্ট ক্যারাটে অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সমীর মন্ডল ও কোষাধ্যক্ষ সুনীল রাম। তাঁরা একযোগে উল্লেখ করেন, বর্ধমান ডিস্ট্রিক্ট ক্যারাটে অ্যাসোসিয়েশন হল একমাত্র আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান যেটি পর্যায়ক্রমে ওয়ার্ড ক্যারাটে ফেডারেশন, ক্যারাটে ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন ও ক্যারাটে অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গলের অনুমোদিত। এমনকি বেঙ্গল অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন অনুমোদন রয়েছে এই সংস্থার।

বর্ধমান ডিস্ট্রিক্ট ক্যারাটে অ্যাসোসিয়েশনের তরফে বুধবার দুর্গাপুরে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। দুর্গাপুর সাব ডিভিশনাল স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশন দফতরে আয়োজিত এই সাংবাদিক সম্মেলনে সমীর বাবু আরও বলেন, "আমাদের কমিটিতে চোদ্দজন বৈধ সদস্য আছেন। আর এই চোদ্দজনের তত্ত্বাবধানে সমগ্র পশ্চিম বর্ধমান জেলায় আটটি ক্যারাটে প্রশিক্ষণ সংস্থা বৈধভাবে শিক্ষার্থীদের ক্যারাটে শেখাচ্ছে।" 

অন্যদিকে সুনীলবাবুর মন্তব্য, "আমাদের জেলায় কেউ কেউ ব্যাঙের ছাতার মতো নানা ক্যারাটে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরি করেছেন। আর সেখানে সমাজের কিছু বাচ্চা ছেলে মেয়ে বিভ্রান্ত হয়ে ক্যারাটে শেখার স্বপ্ন নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতা না থাকায় তাদের স্বপ্ন অচিরেই ভেঙে যাচ্ছে।"

বর্ধমান ডিস্ট্রিক্ট ক্যারাটে অ্যাসোসিয়েশনের তরফে এই দুই কর্মকর্তা আবেদন জানান জেলার অভিভাবকদের প্রতি। তাঁদের বক্তব্য, আপনারা নিজেদের ছেলে মেয়েকে বৈধ প্রতিষ্ঠানে ক্যারাটে শিখতে উৎসাহিত করুন। প্রয়োজনে বর্ধমান ডিস্ট্রিক্ট ক্যারাটে অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সংযোগ করুন। আর সম্ভবনাময় ক্যারাটে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার জন্যেও আপনারা সঠিক পথে এগিয়ে আসুন বলেও তাঁরা আহ্বান জানান।