Articles by "রূপতাপসের চাকুম চুকুম"
Showing posts with label রূপতাপসের চাকুম চুকুম. Show all posts

সাজিয়া আক্তার, (রেসিডেন্সিয়াল এডিটর), বাংলাদেশ, দ্য অফনিউজ;

শীতকাল আসলেই ত্বকে দেখা দেয় নানা সমস্যা। আর সেই সমস্যা সমাধানে নিতে হয় ত্বকের একটু বাড়তি যত্ন। কারণ, বছরের নির্দিষ্ট সময়ে ত্বকের রুক্ষতা বহুগুণ বেড়ে যায়। শীতল বাতাস, কম আর্দ্রতা ও কম তাপমাত্রার কারণে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ত্বকের ক্ষতির পরিমাণ বাড়ে। ত্বকের কোষগুলো ভাঙতে থাকে, ত্বকে আসে কালচে ভাব। এ ছাড়া এই সময়ে ত্বকের নমনীয় ভাব কমে আসে, কালো দাগও বেশি ফুটে ওঠে।

তাই ত্বকের কালচে ভাব ও কালো দাগ কমিয়ে ত্বকে সজীবতা ধরে রাখতে ঘরোয়া যত্নই হতে পারে সবচেয়ে সহজ সমাধান। উজ্জল ত্বক পাওয়ার জন্য যেমন সঠিক উপায়ে যত্ন নেওয়া প্রয়োজন, ঠিক তেমনই নজর দিতে হবে ডায়েটেও।

আপনার শরীরের ভেতরে যদি পর্যাপ্ত ভিটামিন ও প্রোটিনের ঘাটতি তৈরি হয়, তাহলে হাজার স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করলেও ত্বকের উজ্জলতা বাড়বে না। তাই সঠিক স্কিন কেয়ার রুটিন ফলো করার পাশাপাশি প্রোটিন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবারও নিয়মিত খেতে হবে। তাহলেই বাড়বে ত্বকের উজ্জলতা।

ফেসিয়াল ছাড়াই দুই সপ্তাহে বাড়বে ত্বকের উজ্জলতা। জেনে নিন কোন কোন খাবার এই কয়েক দিন আপনার ডায়েটে রাখতে হবে-

একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ভিটামিন সি ত্বকের উজ্জলতা বাড়াতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এই ভিটামিন শুধুই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে না, সেই সঙ্গে ত্বকের ভেতরে কোলাজেনের উৎপাদন বাড়াতেও সাহায্য করে। তাই ত্বকের টানটান ভাব বজায় থাকে আর উজ্জলতাও হয় দেখার মতো।

কোন কোন খাবারে এই ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ হবে জেনে নিন- ব্রকোলি, স্ট্রবেরি, কমলালেবু, বাতাবিলেবু, মোসাম্বি লেবু, জরুরি ভিটামিন ই।

সূর্যালোকের ক্ষতিকারক রশ্মিতে ত্বকের যে খুবই ক্ষতি হয়, সে কথা হবু কনেদের অজানা নয়। তাই সূর্যালোকের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করার জন্যে প্রয়োজন একটি সুরক্ষাকবচ। আর এই কাজটিই করে ভিটামিন ই। এই ভিটামিন এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট আর ফটোপ্রোটেক্টিভ গুণও রয়েছে এর মধ্যে, গবেষণাতেও এমন উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে।

কোন খাবারে মিলবে ভিটামিন ই- আমন্ড, সানফ্লাওয়ার অয়েল, কুমড়ো, বেল পেপার, ভিটামিন বি৩ মিস করবেন না।

ত্বক ভালো রাখতে এই ভিটামিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়াসিন নামে পরিচিত এই উপাদানে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ত্বকের অন্দরে ফ্রি-ব়্যাডিকালসের বিরুদ্ধে লড়ে। ত্বকে সহজে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।

যে খাবারগুলো পাতে রাখবেন- মাছ, রেড মিট, ব্রাউন রাইস, কলা, বাদাম, প্রয়োজন এসব মিনারেলও।

ত্বকের উজ্বলতা বাড়ানোর জন্যে এই ভিটামিনগুলোর পাশাপাশি কিছু মিনারেলও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই দৈনিক ডায়েটে এসব মিনারেল যোগ করতেই হবে আপনাকে।

জিংক- এটি আপনার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। মুখের দাগছোপ মলিন করে উজ্জলতা বাড়ানোর জন্যে এই মিনারেলগুলো গ্রহণ করা প্রয়োজন। ওটস, মাছ এবং মাংসে এই মিলবে মিনারেলের সন্ধান।

ক্যালশিয়াম- চিজ, টক দই, বিনস, আমন্ড এবং সবুজ শাক-সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম পাবেন আপনি। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে হবু কনেদের এই খাবারগুলো খেতেই হবে।

(www.theoffnews.com - Bangladesh skin winter)

সাজিয়া আক্তার, রেসিডেন্সিয়াল এডিটর (বাংলাদেশ), দ্য অফনিউজ:

সবজি শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা প্রায় অনেক বাড়িতেই দেখা যায়। এদিকে যেকোন রান্নায় স্বাদ আনতে আদা দারুণ কার্যকর। তা ছাড়া এর মধ্যে ভেষজ গুণও প্রচুর রয়েছে।

আদা টাটকা রাখতে তাই এই টিপসগুলো জেনে নিন-

১. ফ্রিজে রাখুন

আদা দীর্ঘদিন সতেজ রাখতে খোসাসহ আস্ত আদা ফ্রিজে রেখে দিন। কোনো হাওয়া বন্ধ বয়ামে বা প্লাস্টিকের জিপ লক ব্যাগে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এতে আদা অনেক দিন পর্যন্ত ঠিক থাকবে।

২. আদা বাটা 

বেটে রাখলেই অনেক দিন ভালো থাকে আদা। এর খোসা ছাড়িয়ে প্রথমে বেটে নিন। অল্প পরিমাণ পানি বা তেল দিয়ে বাটতে পারেন। এরপর একটি পরিষ্কার, বায়ুরোধক বয়ামে আদার পেস্ট ভরে ফ্রিজে রাখুন।

৩. পাতিলেবুর রস দিন

আদার খোসা প্রথমে ছাড়িয়ে বায়ুরোধক বয়ামে রাখুন। এবার ওপর থেকে ভিনেগার বা লেবুর রস ছড়িয়ে দিন। এবার ঢাকনা বন্ধ করে ফ্রিজে রেখে দিলে বেশ অনেক দিন আদা ফ্রেশ থাকবে।

৪. ডিপ ফ্রিজে রাখুন

ডিপ ফ্রিজেও রাখা যায় আদা। প্রথমে এর খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এবারে একটা পার্চমেন্ট পেপার পেতে তাতে আদা ছড়িয়ে দিন। এই ট্রে ডিপ ফ্রিজে রাখুন। আদা জমে গেলে বন্ধ কৌটোয় ভরে ফ্রিজে রেখে দিন।

(www.theoffnews.com - ginger fresh)

সাজিয়া আক্তার, রেসিডেন্সিয়াল এডিটর (বাংলাদেশ), দ্য অফনিউজ:

ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্য আমরা আমাদের রান্নাঘরের অনেক উপাদান ব্যবহার থাকি। যা আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি সহ অনেক উপকার করে থাকে। তবে এখানেও সতর্ক থাকতে হবে। কারণ রান্নাঘরের সব উপাদানই যে আমাদের ত্বকের জন্য নিরাপদ তা কিন্তু নয়। ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপাদান ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু উপকরণ বাদ দিতে হবে। রান্নাঘরে থাকা সেই সব উপাদান আমাদের ত্বকের ক্ষতির কারণ হতে পারে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কোন উপকরণগুলো কখনোই মুখে ব্যবহার করবেন না-

১. লেবুর রস

লেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরের আরও অনেক উপকারে আসে একথা প্রায় সবারই জানা। কিন্তু এই লেবুর রসই ত্বকে সরাসরি প্রয়োগ করা বেশ ক্ষতিকর। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এর কারণ হলো, লেবুর রস অ্যাসিডিক। তাই এটি ত্বকে সরাসরি প্রয়োগ করলে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

২. দারুচিনি

রান্নার স্বাদ ও গন্ধ বাড়াতে কাজ করে দারুচিনি। এর আছে অনেক রকম উপকারিতাও। তবে ত্বকের যত্নে কখনোই দারুচিনি ব্যবহার করবেন না। ঝাঁঝালো এই উপাদান মুখে লাগলে তা জ্বালাপোড়ার কারণ হতে পারে। সেইসঙ্গে ত্বকে দেখা দিতে পারে নানা রকম সমস্যা। তাই রূপচর্চার ক্ষেত্রে এই উপাদান এড়িয়ে চলুন।

৩. নানা রকম মসলা

বিভিন্ন ধরনের মসলা খেলে তা আমাদের সুস্থ রাখার জন্য কাজ করে। সেজন্য মসলা ব্যবহার করতে হবে রান্নায়। তাই বলে মুখে সেসব মসলা মেখে বসে থাকলে উপকার পাবেন না। কেবল হলুদ ছাড়া অন্য কোনো মসলা ত্বকে ব্যবহার করবেন না। এতে উপকারের বদলে ক্ষতি বেশি হবে।

৪. বেকিং সোডা

বেকিং সোডা সাধারণত খাবার ফোলানো ও মচমচে করার কাজে ব্যবহার করা হয়। অনেকে আবার ব্রণ দূর করার কাজে ব্যবহার করেন এই উপাদান। তবে এটি আমাদের ত্বকের জন্য মোটেই উপকারী নয়। মুখে বেকিং সোডা ব্যবহার করলে তা নানাভাবে ক্ষতি করতে পারে। তাই ত্বকের যত্নে এটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

৫. আপেল সাইডার ভিনেগার

আপেল সাইডার ভিনেগারের অনেক গুণের কথা জানা আছে নিশ্চয়ই? কিন্তু এটি কখনো ত্বকে প্রয়োগ করা উচিত নয়। কারণ এর ব্যবহারে ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা যেমন- জ্বালা করা, ব়্যাশ এবং চুলকানিও পর্যন্ত হতে পারে। তাই রান্নাঘরের এই উপকরণ রূপচর্চার কাজে যোগ করা যাবে না।

(www.theoffnews.com - fareness face skin)

সাজিয়া আক্তার, রেসিডেন্সিয়াল এডিটর (বাংলাদেশ), দ্য অফনিউজ:

আমরা গরমে বেশিরভাগ মানুষেই বাড়িতে সহজপাচ্য খাবার হিসেবে ডাল খাই। খাবারে ডাল না থাকলে খাবার অসম্পূর্ণ মনে হয়। প্রতিদিন ডাল খেলে শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ হয়। সব ডালই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে ঋতু অনুযায়ী ডাল বেছে খেলে উপকার বেশি। এতে শরীরে দ্বিগুণ উপকা ওকের পাওয়া যায়।

গরমে কোন ডাল খাবেন না?

গরমেও কিছু ডাল খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। গরমে অড়হড় ডাল খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এই ডাল খুব ভারী এবং এটি পেট খারাপ করে। গ্রীষ্মের মরশুমে এটি কম খাওয়া উচিত। গরমে ছানা ও মটর কিডালও কম খেতে হবে। এই ডালগুলি গ্যাস তৈরি করে।

কখন ডাল খাবেন না?

গ্যাসের সমস্যা থাকলে রাতে ডাল খাওয়া উচিত নয়। গ্রীষ্মকালে মুগ এবং মসুর ডাল অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এই দুটি ডাল মিশিয়ে খেলে তা আরও বেশি উপকারী বলে প্রমাণিত হয়। মুগের ডাল মিশ্রিত করে খেলে পাকস্থলী ও পরিপাকতন্ত্র ভালো থাকে। আয়ুর্বেদে মুগ ও মসুর ডালকে হালকা ও পাচ্য বলে মনে করা হয়। মুগ-মসুর ডাল খেলে পেট ঠান্ডা থাকে। এর উপকারিতা কি জানেন? 

অত্যধিক গরমে মুগ-মসুর ডাল মিশিয়ে খান যদিও যে কোনও ঋতুতে মুগ-মসুর ডাল খেতে পারেন, কিন্তু গ্রীষ্ম ও বর্ষায় এই ডাল খুবই উপকারী। গরমে এই দুটি ডাল মিশিয়েও খেতে পারেন। এতে পেট ভালো থাকে। গরমে পরিপাকতন্ত্র খুবই দুর্বল হয়ে পড়ে। খাবার দ্রুত হজম হয় না। এমন অবস্থায় মুগের ডাল ও মসুর ডাল খাওয়া খুবই হজম হয়। গরমে প্রচুর মুগ ডাল খাওয়া উচিত। এই মসুর ডাল ঠাণ্ডা এবং স্বাদে হজম হয়। 

মুগ ও মসুর ডালের উপকারিতা

১) সুস্থ ও সুস্থ থাকতে প্রোটিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মুগ ও মসুর ডাল খেলে শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ হয়।

২) এটি শরীরে চুল, নখ এবং নতুন কোষ তৈরিতে সাহায্য করে।

৩) প্রতিদিন এক বাটি মুগের ডাল মিশিয়ে খেলে শরীরে প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করা যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে যে ডাল

৪) এই মিশ্রিত মসুর ডাল খেলে শরীরে কোলেস্টেরল কমে যায়।

৫) একজন ডায়াবেটিস রোগীরও প্রতিদিন মুগ-মসুর ডাল খাওয়া উচিত। এটি ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৬) মুগ মসুর ডাল কম চর্বির ভালো উৎস, যা খেলে হৃদরোগ দূরে থাকে।

৭) এই ডালে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং হৃদরোগ কমায়। 

৮) মুগের ডাল মিশ্রিত মসুর ডালেও রয়েছে ভালো পরিমাণে আয়রন এবং জিঙ্ক, যা আপনার শরীরে রক্ত বাড়াতেও কাজ করে। এবং পেশী সুস্থ রাখে।

৯) হজম না হওয়ার কারণে বমি, ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজম, গ্যাস, পেট ফাঁপা ইত্যাদি সমঞ্জস্যা থাকলে মুগের ডাল হালকা করে খেতে হবে।

১০) এই ডাল হজমযোগ্য এবং পেটে আরাম দেয়। মুগ-মসুর মিশ্রিত মসুর ডাল শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিদের খাওয়ান যাদের পরিপাকতন্ত্র দুর্বল।

(www.theoffnews.com - verious dal Bangladesh)

সাজিয়া আক্তার, রেসিডেন্সিয়াল এডিটর (বাংলাদেশ), দ্য অফনিউজ:

ত্বকের যত্ন নিয়ে আমরা কমবেশি সবাই চিন্তিত থাকি। অনেক সময়ে যত্ন নিয়েও কোনও লাভ হয় না। কারণ ব্রন ও র‌্যাশ লেগেই থাকে। সাধারণত ধুলা-বালি, দূষণ, বাইরের খাবার খাওয়ার প্রবণতা, জল কম খাওয়া এসব কারণে ত্বকের সমস্যাগুলো দেখা দেয়। এছাড়া কয়েকটি খাবার রয়েছে, যেগুলোও ত্বকের জন্য একেবারেই ভালো নয়। চিকিৎসকরা বলছেন, সেগুলো ত্বকের জন্য সূর্যালোকের চেয়েও বেশি ক্ষতি করে।

১. আম

আম খেতে ভালবাসেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। তবে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, আম কিন্তু ত্বকের জন্য একেবারেই উপকারী নয়। অত্যধিক পরিমাণে আম খেলে ত্বকে সিবাম ক্ষরণ বেশি হয়। তৈলাক্ত এই উপাদান ত্বকের রন্ধ্রমুখগুলি বন্ধ করে দেয়। ফলে ব্রণ হয় প্রচুর পরিমাণে। ত্বক ভালো রাখতে বেশি আম না খাওয়াই ভাল।

২. ভাজাপোড়া

বাইরের খাবার মানেই তা হবে তেল-মশলাদার। এই ধরনের খাবার স্বাদে উপাদেয় হলেও ত্বকের জন্য একেবারেই উপকারী নয়। তেল চপচপে খাবার খেলে স্বাভাবিক ভাবেই ব্রন হয়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বেশি ভাজাপোড়া খেলে এমনিতেই ত্বকের ক্যানসার হওয়ারও আশঙ্কা থাকে।

৩. মিষ্টি

চিনি ত্বকের জন্য একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে যেমন ওজন বেড়ে যায়, তেমন ত্বকেও এর প্রভাব পড়ে। মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা ব্রনের সমস্যা ডেকে আনে। তাই ব্রনের ঝুঁকি এড়াতে মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা যেন নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

(www.theoffnews.com - sunlight food skin Bangladesh)

সাজিয়া আক্তার, রেসিডেন্সিয়াল এডিটর (বাংলাদেশ), দ্য অফনিউজ:

মেয়েদের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সাজগোজের কথা বলতে গেলে সবার আগে চলে আসে মেকআপ। কিন্তু আমরা অনেকেই বুঝতে পারি না মেকআপ ব্যবহারে ব্রণ হচ্ছে কিনা। আবার ব্রণের সমস্যা থেকে রক্ষা ও সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য অনেকেই নানা ধরনের কসমেটিক ব্যবহারও করে থাকি। কিন্তু বাজারে বেশ কিছু কসমেটিক রয়েছে যেগুলো ব্যবহারে ব্রণ আরও বাড়তে পারে। এই ধরনের সমস্যাকে বলা হয় অ্যাকনি কসমেটিকা।

 এটি হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে মেকআপ ব্যবহারের পরই মুখে ব্রণ দেখা দেয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই ধরনের ব্রণ গালে, থুতনিতে বা কপালে দেখা যায়। সাধারণত মেকআপের জন্য যে ব্রণ বেড়োয় তার মুখগুলো সাদা হয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে ফুসকুড়িও বেরোয়। অনেক সময় ঠোঁটের ওপরও ব্রণ বা ফুসকুড়ি বেরোতে দেখা যায়। এক্ষেত্রে বুঝবেন আপনার লিপ বাম বা লিপস্টিকই দায়ী।

যে কসমেটিকে সমস্যা রয়েছে আপনার তা বুঝতে হয়তো সময় লাগতে পারে। মুখে মেকআপ করার পরই যে হঠাৎ করে ব্রণের উদয় হবে এমনটা নয়। মেকআপের কারণে ব্রণ হতে বেশ কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে মাসও কেটে যায়। এই কারণে মেকআপ ও ব্রণের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে, তা বুঝতে অনেক সময় লেগে যায়।

যদি মেকআপের কারণে আপনার ব্রণের সমস্যা হয়, তাহলে সাধারণ কয়েকটি বিষয়ের ওপর নজর দিতে হবে।

১. মেকআপ পণ্যের ওপর নজর দিন। ত্বকের জন্য সঠিক মেকআপ পণ্য বেছে নিন। মেকআপ কেনার আগে লেবেল পড়ে নিন। একই উপায় কাজে লাগান ত্বক ও চুলের প্রসাধনী পণ্য কেনার সময়।

২. হালকা মেকআপ করুন। মুখে খুব বেশি মেকআপ করবেন না। পাশাপাশি ধীরে-ধীরে মেকআপ লাগাবেন। ত্বকের ওপর খুব বেশি চাপ দেবেন না।

৩. নিয়মিত মেকআপ ব্রাশ, ব্লেন্ডার ও স্পঞ্জ পরিষ্কার করুন। এই সব পণ্যের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা ব্রণের সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে। প্রতি সপ্তাহে এগুলো পরিষ্কার করুন।

৪. দিনের শেষ অবশ্যই মেকআপ তুলে ঘুমাতে যাবেন। প্রথমে মেকআপ রিমুভার বা নারকেল তেল দিয়ে মেকআপ তুলে ফেলুন। তারপর ফোমিং ফেসওয়াশের সাহায্যে মুখ ধুয়ে নিন। এরপরও রোমকূপে মেকআপ জমে থাকে। তাই পুনরায় ক্লিনজার ব্যবহার করে মুখ ধুয়ে নেবেন।

৫. ব্রণ হলে নিয়মিত মুখ পরিষ্কার করুন এবং ত্বক ময়েশ্চারাইজ করুন। যদি ব্রণের সমস্যা না কমে তাহলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

(www.theoffnews.com - cosmetics makeup pimple Bangladesh)

সাজিয়া আক্তার, রেসিডেন্সিয়াল এডিটর (বাংলাদেশ), দ্য অফনিউজ:

আমরা কম বেশি সবাই প্রায় ঘি খেতে পছন্দ করি। তবে আমরা অনেকেই জানি না ঘি আমাদের কতটা উপকার করে। ঘি আমাদের ত্বকের জন্য খুব ভালো একটি উপাদান। অনেকেই ত্বকের যত্নে নানান ধরনের কসমেটিক ব্যবহার করে থাকেন। তবে ঘরোয়া উপাদানে নানা সমস্যা সমাধানে ঘি ব্যবহারে সুফল মিলবে কিভাবে আসুন জেনে নিই...

১. ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখে: ঘি ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। ঘি ব্যবহার করলে ত্বক ময়শ্চারাইজ হতে পারে। এমনকি শুষ্কভাবও কম হতে পারে। চুলকানি এবং জ্বালাভাব হলে তা ঘি লাগিয়ে সারিয়ে তুলতে পারেন আপনি। এমনকি ঘি-এর ক্রিম শুষ্ক ত্বকে আর্দ্রতার জোগান দিতে পারে।

২. ডার্ক সার্কেল গায়েব: চোখের পাশে ডার্ক সার্কেল পড়া খুবই সাধারণ এক বিষয়। এই ডার্ক সার্কেল মলিন করতে সহায়তা করে ঘি। চোখের চারপাশে একটু ঘি দিয়ে সামান্য মালিশ করলেই দূর হয়ে যাবে ডার্ক সার্কেলের সমস্যা।

৩. ঠোঁটে লাগাতে পারেন ঘি: ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্যেও ঘি-এর ব্যবহার করতে পারেন। ঠোঁটে নিয়মিত ঘি লাগালে উপকার পাবেন আপনি। ঠোঁটের রুক্ষভাব দূর করে ঠোঁটকে গোলাপি করে তুলতে একটু ঘি যথেষ্ট।

৪. ঘি ও বেসন: ২ চামচ বেসনের সঙ্গে ঘি ও দুধ মিশিয়ে মুখে মাখুন। ভালো ফল পাবেন।

৫. মধু ও ঘি: আধ চামচ মধুর সঙ্গে আধ চামচ ঘি নিতে হবে। এই প্রত্যেকটি উপাদান ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর আপনার মুখে এবং গলায় লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩বার ব্যবহার করতে পারেন।

(www.theoffnews.com - ghee Bangladesh)