Articles by "বৈচিত্র্যের চিত্রপট"
Showing posts with label বৈচিত্র্যের চিত্রপট. Show all posts


দেবর্ষি মজুমদার, সিনিয়র জার্নালিস্ট, বীরভূম:

রবীন্দ্রনাথের স্বহস্তে আঁকা দুর্লভ চিত্রপ্রদর্শনী শুরু হলো নন্দন আর্ট গ‍্যালারিতে। কলাভবন ও ওয়ার্লড হেরিটেজ সাইট এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।  প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বিনয় কুমার সোরেন। উপস্থিত ছিলেন কলাভবনের অধ‍্যক্ষ সঞ্জয় কুমার মল্লিক, ওয়ার্লড হেরিটেজ সাইটের কোঅর্ডিনেটর স্বাতী গাঙ্গুলি, কলাভবনের ভারপ্রাপ্ত কিউরেটর শিশির সাহানা প্রমুখ। এই প্রদর্শনী শুরু হলো সোমবার। প্রদর্শনী চলবে উনিশে ডিসেম্বর পর্যন্ত। নন্দন আর্ট গ‍্যালারীর তিনটি রুমে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। রবীন্দ্র বিদগ্ধ রমন শিবকুমার চিত্রগুলো বাছাই করেছেন। রবীন্দ্রনাথের থ্রী ডাইমেনশনের আটাত্তরটি ছবি এবং দুটি সেরামিকের ফ্লাওয়ার ভাজ বা ফুলদানি এবং বাঁশের মুখ সহ ট‍্যু ডাইমেনশনের কাজ এখানে আছে। মূলত: রবীন্দ্রনাথের নৈসর্গিক প্রকৃতির ছবি, মানুষের মুখ, এবং কিম্ভুত ছবি ও পাশাপাশি টুডলস বা চিত্রলিপি থাকছে। ওয়ার্লড হেরিটেজ সাইটের কোঅর্ডিনেটর স্বাতী গাঙ্গুলি জানান, এগারো এবং ষোলো সালের পর এই প্রথম এতো বড় আকারের প্রদর্শনী হচ্ছে। নন্দন এবং রবীন্দ্র মিউজিয়ামে রবীন্দ্রনাথের কিছু চিত্র আছে। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র নন্দনের চিত্রগুলো স্থান পেয়েছে।  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিজের হাতে আঁকা আসল ছবি এই প্রদর্শনী স্থান পেয়েছে। এটা বিরাট পাওনা। মূলত: গুরুদেব তেষট্টি চৌষট্টি বছর বয়সে ছবির কাজ শুরু করেছেন। তাঁর বহুমুখী প্রতিভার একটি অনবদ্য নিদর্শন জন সমক্ষে এলো। আগে বিদেশেও এর প্রদর্শনী হয়েছে। তবে এত বড়ো আকারে ইতিপূর্বে হয় নি। কলাভবনের অধ‍্যক্ষ জানান, পয়লা এবং দোসরা ডিসেম্বরে নন্দন মেলা হবে। এই সময় প্রদর্শনীর আয়োজন হওয়ার ফলে অনেক শিল্প অনুরাগীরা লাভবান হবেন। নিরাপত্তার কারণে কেউ ভিতরে মোবাইল নিয়ে যেতে পারবেন না। তবে বাইরে কিউআর কোডের ব‍্যবস্থা আছে। স্ক‍্যান করে ইচ্ছুক ব‍্যক্তিরা ছবি ডাউনলোড করতে পারবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বিনয় কুমার সোরেন বলেন, এই চিত্র প্রদর্শনী থেকে পড়ুয়ারা খুবই উপকৃত হবেন। এতদিন সবাই ফটোগ্রাফী দেখেছেন। কিন্তু এবার আসল চিত্র দেখতে পাবেন।

(www.theoffnews.com Visva Bharati painting Rabindranath Tagore)



সোমনাথ রায়, প্রত্নগবেষক, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক, দুর্গাপুর:

প্রাগৈতিহাসিক শিল্পকর্ম আবিষ্কার যে কোনও সময়েই রোমাঞ্চকর কিন্তু সেই শিল্প যদি বরফ যুগের মানুষের হাতে আঁকা ১৩ কিমি লম্বা ছবি হয় তাহলে সেটা সারাজীবনের আবিষ্কার হয়ে ওঠে।

আমাজন রেইন ফরেস্টের গবেষকরা ম্যাস্টোডন, জায়ান্ট স্লথ এবং অন্যান্য বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীদের ছবি ভর্তি একটি অসাধারণ "ক্যানভাস" আবিষ্কার করেছেন, যা ১২,৬০০ বছর পর্যন্ত পুরনো।

ওই বিশাল ট্যাপেস্ট্রি যা কলম্বিয়ার আমাজনের পাহাড়ে প্রায় ১৩ কিলোমিটার (আট মাইল) পাথর জুড়ে বিস্তৃত, সেটি তৈরি করতে প্রাগৈতিহাসিক শিল্পীরা লাল গিরিমাটি ব্যবহার করেছিলেন।

এক্সিটার ইউনিভার্সিটির প্রত্নতত্ত্ববিদ মার্ক রবিনসন, যিনি কোয়াটারনারি ইন্টারন্যাশনাল জার্নালে এই ঐতিহাসিক আবিষ্কারের উপর একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন তিনি একটি বিবৃতিতে বলেছেন - "এগুলি সত্যিই অবিশ্বাস্য ছবি, যা পশ্চিম অ্যামাজোনিয়ায় বসবাসের প্রথম দিকের মানুষরা উৎপাদন করেছিল।"

রবিনসন এবং তাঁর দল বিশ্বাস করে যে আদিবাসীরা অন্তিম বরফ যুগের শেষের দিকে কলম্বিয়ান আমাজনের উত্তর প্রান্তে, সেরানিয়া লা লিন্ডোসার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে এই শিলাচিত্রগুলি আঁকতে শুরু করেছিল।

রবিনসন আরও বলেছেন যে শিল্প কর্মগুলির সৃষ্টি ১২,৬০০ থেকে ১১,৮০০ বছর আগের সময়কালে ঘটেছিল যখন  "আমাজন একটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনে রূপান্তরিত হচ্ছিল যে রূপে আমরা আজকে তাকে চিনি"।

ক্রমশ বাড়তে থাকা গরম ওই সময়ের ঘেসোজমি, কাঁটালো ঝোপঝাড় আর গাছের জগাখিচুড়ি জঙ্গলকে আজকের পরিচিত বনাঞ্চলের রূপ দিয়েছে।

অত্যন্ত আশ্চর্যভাবে টিকে যাওয়া বরফ যুগের ছবিগুলির মধ্যে রয়েছে মানুষের হাতের ছাপ, জ্যামিতিক নকশা এবং অসংখ্য বিভিন্ন প্রাণী - কুমীর, বাদুড়, বানর এবং কচ্ছপ থেকে শুরু করে শুঁড়ওলা তেখুরো স্তন্যপায়ী প্রাণী। অন্যান্য শিলাচিত্রগুলিতে আশেপাশের প্রকৃতির সাথে মানুষের যোগাযোগের ছবি ও বিভিন্ন প্রাণি শিকারের দৃশ্য আঁকা হয়েছিল যেগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রাণি বর্তমানে বিলুপ্ত।

রবিনসন বলেছেন - “ছবিগুলি তখনকার গোষ্ঠীবদ্ধ মানুষের জীবনযাত্রার জীবন্ত এবং রোমাঞ্চকর আভাস দেয়। আজকে এটা ভাবলেই অবিশ্বাস্য মনে হয় যে তারা দৈত্যাকার তৃণভোজীদের মধ্যে থাকত আর তাদের শিকার করত যারা কেউ কেউ ছিল মোটর গাড়ির আয়তনের”।

গবেষকরা জানিয়েছেন যে সম্ভবত মানুষের শিকার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের জোড়া কারণে দক্ষিণ আমেরিকার অনেক বড় প্রাণী শেষ বরফ যুগের শেষে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল।

‘লাস্ট জার্নি’ নামে পরিচিত একটি প্রজেক্টের অংশ হিসেবে রবিনসন এবং তাঁর সহকর্মীরা ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে শিলা আশ্রয়গুলিতে খনন করেছিলেন। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য আর লক্ষ্য ছিল আমাজনে মানুষ কখন প্রথম বসতি স্থাপন করেছিল তার কাল নির্ধারণ করা আর এই অঞ্চলের জীববৈচিত্র্যের উপর তাদের কার্যকলাপ কী প্রভাব ফেলেছিল তা আবিষ্কার করা।

রবিনসনের সহ-গবেষক এবং সহযোগী প্রত্নতাত্ত্বিক হোসে ইরিয়ার্ত একই বিবৃতিতে বলেছেন, "মানুষ কীভাবে ভূমি পুনর্গঠন করেছে এবং কীভাবে তার সামাজিকভাবে যোগাযোগ রাখত।"

(www.theoffnews.com Amazon rainforest rock painting)


কাজী নূর, কবি, সাহিত্যিক ও ফিচার রাইটার, বাংলাদেশ:

বাংলাদেশ ও ভারতের সংস্কৃতি বিনিময়ের লক্ষ্যে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশের যশোরে ৪ দিন ব্যপী আন্তর্জাতিক চিত্র প্রদর্শনী ও শিল্প শিবির অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। 'মৈত্রী চিত্রভাষ' শীর্ষক এই প্রদর্শনী ও শিল্প শিবির উদ্বোধন করবেন যশোরের তরুণ চিত্রশিল্পী সদ্য প্রয়াত সোহেল প্রাণনের গর্বিত মা সালেহা বেগম। আন্তর্জাতিক এই প্রদর্শনীটি সোহেল প্রাণনের নামে উৎসর্গ করা হবে। প্রদর্শনীতে ভারত ও বাংলাদেশের ৮০ জন শিল্পী তাদের চিত্র কর্ম সহ অংশ নেবেন। এর মধ্যে বাংলাদেশের ২০ জন ও ভারতের ৬০ জন শিল্পী আছেন। 'প্রাচ্য আকাদেমি' ক্যাম্পাসে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে ঠিক এমনটাই জানিয়েছেন 'প্রাচ্যসংঘ' যশোরের প্রতিষ্ঠাতা প্রখ্যাত লেখক, গবেষক, আলোচক এবং সাংবাদিক বেনজীন খান।

প্রাচ্যসংঘ'র সহযোগিতায় এই চিত্র প্রদর্শনী ও শিল্প শিবির অনুষ্ঠিত হবে যশোর শহরের সার্কিট হাউস পাড়ায় প্রাচ্য আকাদেমির প্রাচ্য গ্যালারি, প্রাচ্য অডিটোরিয়াম সহ গোটা সাংগঠনিক ক্যাম্পাস জুড়ে। বেনজীন খান জানান, প্রদর্শনীর মূল আয়োজক 'সর্বভারতীয় সঙ্গীত ও সংস্কৃতি পরিষদ'। এটি তাদের তৃতীয় আন্তর্জাতিক চিত্র প্রদর্শনী। সংগঠনটি ১৯৭৬ সালে ২৩ জানুয়ারি কলকাতায় আত্মপ্রকাশ করে। সংগঠনটি নাটক, নৃত্য, সঙ্গীত এবং চারুকলা পরীক্ষার বোর্ড। যা পশ্চিমবঙ্গ দৃশ্যকলা আকাদেমি, রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা স্বীকৃত।

সাংবাদিক সম্মেলনে বেনজীন খান আরও জানিয়েছেন, 'মৈত্রী চিত্রভাষ' ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধন তৈরী করবে। নানা বৈচিত্র্য ও কৃষ্টির ভান্ডার ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সংস্কৃতির আদান প্রদান ঘটাবে। তাদের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে আমরা জানতে পারবো। তিনি বলেন, সমস্ত ট্যাবু ভেঙ্গে আমাদের বিশ্বের মানুষের কাছে যেতে হবে। আমাদেরকে সবার আগে মানুষ হতে হবে এটাই মোদ্দা কথা। প্রাচ্য প্রধান বেনজীন খান আন্তর্জাতিক এই আয়োজনকে সাফল্যমন্ডিত করে তোলার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন কবি সাইদুর রহমান, এম এ আকসাদ সিদ্দিকী শৈবাল প্রমুখ।

(www.theoffnews.com - India Bangladesh art exhibition)

চন্দ্রিমা দত্ত (সাঁজবাতি), লেখিকা ও শিক্ষিকা, শ্রীরামপুর, হুগলি:

পারিবারিক কৌলিন্যহীন দারিদ্রলাঞ্ছিত রামকিঙ্করকে (১৯০৬-১৯৮০) প্রখ্যাত রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় ১৯২৫ সালে শান্তিনিকেতনের আনন্দযজ্ঞশালায় এনে তুলে দিয়েছিলেন নন্দলাল বসুর হাতে। তখন রামকিঙ্কর উনিশ বছরের যুবা। নন্দলাল, তাঁর হাতের কাজ দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে বলেছিলেন, "তুমি তো সবই জানো, আবার এখানে কেন?... আচ্ছা, দু তিন বছর থাকো তো!" সেই দু তিন বছর কখনও শেষ হয়নি! এখনও না! 

সাধনা চলছিল... নিজেকে ছাপিয়ে যাবার সাধনা। শান্তিনিকেতনে তিনিই প্রথম ভাস্কর। কোনও বাধা না মেনে, কারোর ফরমায়েশি কাজ না করে আপন খেয়ালে সৃষ্টি করেন 'সুজাতা' মুর্তি (১৯৩৫)। রবীন্দ্রনাথ সেই মুর্তি দেখে তরুণ ভাস্করকে অনুপ্রাণিত করে বলেছিলেন, 'সমস্ত আশ্রম জুড়ে এর চেয়েও বড় বড় মুর্তি গড়ে ভরিয়ে দিতে পারবি?'

শান্তিনিকেতনে তাঁর মুর্তিগুলি সবই খোলা আকাশের নীচে (তাঁর একান্ত নিজস্ব ইচ্ছানুযায়ী)। তাঁর বানানো মুর্তি গুলির মধ্যে সুজাতা, বুদ্ধ, গান্ধী, সাঁওতাল পরিবার, হার্ভেস্ট, রবীন্দ্রনাথ -বিমূর্ত এবং আরও অনেক।

সেই সময় শান্তিনিকেতনে আনা হতো সেজান, ভ্যান গগ, মাতিস ও পিকাসোর মতন যুগান্তকারী শিল্পীদের অসামান্য ছবির ছাপা বই। রবীন্দ্রনাথও বিপুল উদ্দীপনা নিয়ে ছবি এঁকে চলেন ...সেসব দেখে শুনে প্রাণিত হয়েছিলেন রামকিঙ্কর। ছবিও আঁকতেন নিজের স্বাধীন ইচ্ছায়। দেখতেন রবীন্দ্রনাথ কি ভীষণ ভাবে সাধনা-রত। রবীন্দ্রনাথের বিমূর্ত ছবিতে রবীন্দ্রনাথ এমন সব কথা বলতে চাইতেন, যা তাঁর বাক্যের সৃষ্টিতে বলা হয়নি। তাঁর মনে হয়েছিল ছবির ভাষা দূর ভবিষ্যতে রসিকজনের কাছে যে বার্তা পৌঁছাবে, কবিতা বা গানের ভাষা ততখানি নয়! প্রমাণ মিললো ১৯৩২ সালে প্যারিসে প্রকাশিত হল রবীন্দ্রচিত্রকলা। এসবই রামকিঙ্করকে মাতিয়ে তুলল। ক্রেয়ণ পেন্সিল, ওয়াশ ও টেম্পারা পদ্ধতিতে ছবি আঁকতেন রামকিঙ্কর। তাঁর ছবির সংখ্যাও অনেক, তবে বেশিরভাগই নষ্ট হয়ে গেছে। 

কখনোই টাকার বিনিময়ে ছবি আঁকেননি বা মুর্তি গড়েননি। অথচ দারিদ্র্য তাঁর জীবনের সাথে গাঁটছড়া বেঁধে ছিল। অধ্যাপনা করে যে সামান্য বেতন পেতেন তাতেই খুব খুশি থাকতেন। আর, রবীন্দ্রনাথও তৎকালীন শান্তিনিকেতনের প্রতিকুলতার হাত থেকে বরাবর রক্ষা করে গেছেন তাঁকে।

রামকিঙ্করের ছবিতে বা ভাস্কর্যে তিনি নিজেকে ছিঁড়ে, দুমড়ে ফেলতে ফেলতে সটান কর্কশ, রুক্ষ দগ্ধ এক লাবণ্যের গভীরে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন - অবোধ দর্শককেও তাইই করিয়েছেন।

পাগলের মতন কাজ করতেন! মাথায় টেকো দিয়ে কাজ করলেও গোটা গা রোদ বৃষ্টি পেত। খাওয়া দাওয়া করতেনও না ঠিকমতন! এতটাই নিবেদন ছিল তাঁর কাজে। ফলে শরীরটা ভেঙেও গিয়েছিল। তিনি মানতেন শ্রমই সবচেয়ে সুন্দর এবং এই সুন্দরই সমাজকে সৌন্দর্য দেয়। বেঁচে থাকাকেই পরিণতি দিয়েছেন তিনি তাঁর শিল্পে।

কিন্তু, সুন্দরের ধারণা আর "শিল্পের জন্য শিল্প" এই ধারণাকে কখনও গুলিয়ে ফেলেননি তিনি। তাই তিনি রামকিঙ্কর। রামকিঙ্কর বেইজ।

(www.theoffnews.com - Ramkinkar Baij)

অস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কবি ও চিত্রশিল্পী, কলকাতা:

তোমার আমার সম্পর্কের সমীকরণে আজ একাকীত্ব গ্রাস করেছে,

বসন্তের বিকেলে ঝিরি ঝিরি হাওয়ায় বুঝি তোমার আসার আনাগোনা!

মৃত কাঠগোলাপের গন্ধ টের পাচ্ছি কিছুটা...

আজ ভুল প্রেমের কাটাকুটি খেলায় হার মেনে আমি বড় ক্লান্ত!

ভালোবাসার কাছে নাতজানু হলে বুঝি বুকে আদর জন্মায়,

সেই আদরে ভিজে যায় কত রাত্রির মায়া!

আস্ত সুখের হাতছানিতে বুকে পাথর চাপা একটা কষ্ট,

পলাশ ফুলের টুকরো পাঁপড়ির রং চুরি করে রাঙিয়েছি দুটো হাত!

(www.theoffnews.com - poem painting)

কাকলি সেনগুপ্ত, চিত্রশিল্পী ও সিনিয়র জার্নালিস্ট, কলকাতা:

(www.theoffnews.com - painting)