politics
জীবন রায়, প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ, রাজ্যসভা: প্রশ্নগুলি এরকমঃ , ইতিহাসবিচ্ছিন্নতায় কি কখনো কোন শ্রমিক আন্দোলন রাজনৈতিক শ্রেনী হয়ে উঠার যোগ্যতা পেতে পারে? দ্বিতীয়তঃ বুর্জোয়া উদারনীতিবাদ যখন অপ্রাসংগীকতার শিকার, তখন রাজনৈতিক শ্রেণী হিসেবে শ্রমিক হস্তক্ষেপ ব্যতিরেখে ইতিহাস কি এগুতে পারবে? তেমনটি যদি জোর করে করার চেষ্টা হয়, সেটা 'শ্রম-দাসত্ব' এবং 'নারী দাসত্ব' ব্যতিরেখে অন্য কিছু কী হওয়া সম্ভব? তারপর যে প্রশ্নগুচ্ছে ইতিহাসের সামনে উঠে আসবে সেগুলি নিম্ন রুপঃ স্বাধীনতা উত্তরকাল বা নেহেরুভিয়ান অর্থনীতি কিংবা কার্য্যতঃ ইন্দিরাগান্ধী সংবিধানে, যে সমাজতান্ত্রিক আচ্ছাদন দিয়েছিলেন ---- ২০১৯, তে সেগুলি এবং তার সাথে উদারনীতিবাদের পতন বা অপ্রাসংগিক হয়ে যাওয়ার পর, শ্রমিক রাজনীতিকে যে বিষয়গুলি তাড়িয়ে ফিরতে বাধ্য, সেগুলি হোল, ---- ২০১৯ এর পরিনাম যখন সমাজ বিজ্ঞানের সাধারন নিয়মগুলিকে পরাজিত করে শ্রেফ্ 'অনুমান ধর্মীতা' এবং জাতি ঘৃ্নাকে সামনে ঠেলে দিয়ে, কোন শক্তি ক্ষমতায় চলে আসে ----- তখন শ্রমিক
আন্দোলনের, বর্তমান রাজনৈ্তিক ভাবাদর্শগত অবস্থানে ইতিহাসের ধারাবাহিকতাকে কিভাবে অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে? সামগ্রিক বিচারে সব থেকে গুরুতর যে প্রশ্নটি সামনে আসবেঃ ----- নির্বাচনোত্তর পরিস্থিতিতে জ্ঞান বিজ্ঞান সহ আধুনিকতার দিক থেকে ইতিহাসে কোন পরিনাম নিয়ে আসবে, ভারতীয় সভ্যতায়। আন্তর্জাতীক খ্যাতি সম্পন্য ঐতিহাসিক শ্রীমতি রোমিলা থাপার, দাবী করেছেন - পরিস্থিতি জরুরী অবস্থা থেকে অনেক খারাপ। এখান থেকেই অন্তিম যে দু'তিনটি প্রশ্নটি উঠে আসবে সেগুলে সেরকমমঃ ----- ২০১৯ এর নির্বাচন যখন একপ্রান্তে সংবিধানকেই অপ্রাসংগিক করে দিয়েছে, মেহনত এবং মেহনতি সংর ক্ষনের সব রীতি নীতি প্রত্যাহৃত হয়েছে, দাসত্বের অনুসংগ হিসেবে, নারী স্বাধীনতা বিশ্বের সব থেকে দুর্গম বস্তু হয়ে দাড়ীয়েছে, একমাত্র ঘৃ্না এবং যুদ্ধের পরিমন্ডলের উপরে ------ ব্যবস্থাকে আরো অতলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হচ্ছে, তখন উদারনীতির অপ্রাস্নগিক হয়ে যাওয়ার পরে; The Trade Union movement which had hardly attempted to rouse itself from satisfaction of physical need towards intellectual needs, also not conversant to work without constitutional or legal protection, ---- সেই প্রজন্মের শ্রমিক নেতারা , কদাচিৎ শ্রমিক শ্রেনীর রাজনৈ্তিক সংগ্রাম অংশ নিয়েছেন, তারা কী আদপেই, উদারনীতিবাদের অপ্রাসংগিক পরিস্থিতিতে --- ইতিহাসকে এগিয়ে দেওয়ার দায়বদ্ধতা পালনে সক্ষম? পাঠকরা যদি ভিন্নমত ব্যক্ত করেন, এই কলম খুশি হবে। তবে উদানীতিবাদের প্রাসংগিকতার প্রশ্নে এই কলমের সিদ্ধান্তটি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া যুক্তিযুক্ত মনে করছি। কোলকাতার দিকে যত তাকিয়েছি, সেখানকার সে সব মানুষজনদের, যারা বৌদ্ধিক আত্মসুদ্ধির প্রশ্নে, জনমত নির্মান করেছেন, এতোদিন - বিগত পাচ বছরে তাদের ভূমিকা দেখে নিশ্চিত হয়েছি , সাধারনভাবে সভ্যতার সাংস্কৃতিক এবং জ্ঞানগত কাঠামোকে ধরে রাখতে, শুধু অপ্রাসংগিক নয়, আত্মসমর্পন করেছেন। ব্যতিক্রম নেই তা নয়, কিন্তু তাকে কোন ওয়েভ বা প্রবাহ বলা যাবে না। আজ যে সময়ে, রবীন্দ্রবধের
সিদ্ধান্ত এরা প্রকাশ্যে ঘোষনা করেছে এবং এই যজ্ঞের আয়োজন যখন, চলছে নেহেরু এবং বিজ্ঞান বধ, তার সাথে সমাজ বিজ্ঞান নিকাশের পাশাপাশি --- তারাও যারা রবীন্দ্রনাথকে সামনে রেখে করে খাচ্চেন, তারাও রবীন্দ্রনাথের উপরে রাজনৈতিক আক্রমনে স্থব্ধ নিথর তখন মান্তেই হবে --- There stands no alternative to working class and democratic revolution with modern working class to its command

.
Share To:

THE OFFNEWS

Post A Comment:

0 comments so far,add yours