দেবর্ষি মজুমদার, লেখক, বীরভূম:

করোনা আক্রান্ত তিনজনকে দুর্গাপুরের সনকা হাসপাতালে ভর্তি করার পর, আক্রান্তদের দেখভালের দায়িত্বে থাকা সিভিক ভলন্টিয়ার, অ্যাম্বুলেন্স চালক সহ ২৫ জনকে পাঠানো হলো তারাপীঠের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে। প্রত্যেকের শারীরিক পরীক্ষাও করা হয়।
     প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাতে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে তিনজনের লালারসের নমুনা পরীক্ষা করে করোনা ভাইরাসের প্রমাণ মিলেছে। শুক্রবার ওই তথ্য সামনে আসতেই জেলা জুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। আক্রান্ত তিনজনকেই দুর্গাপুরে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের দেখভালের জন্য দায়িত্বে থাকা ২০ জন সিভিক ভলন্টিয়ার, দু’জন সুইপার, বিডিও অফিসের একজন অফিসার, খাবার সরবরাহকারী এবং মল্লারপুরের একটি অ্যাম্বুলেন্স চালককে রাতেই তারাপীঠের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু সেখানে খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কারন রাতে খাবারে দেওয়া হয়েছিল সামান্য সোয়াবিন বড়ি, ডাল এবং সামান্য ভাত। এনিয়ে রাতেই খাবার না খাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কোয়ারেন্টাইনে থাকা সিভিক ও অন্যান্য মানুষজন। খবর পেয়ে সেখানে যান প্রশাসনিক আধিকারিকরা। এরপরেই শনিবার থেকে পুষ্টিকর খাবার দেওয়া শুরু হয়। এদিকে মল্লারপুরে করোনা ধরা পড়ার পর থেকে এলাকার বিভিন্ন রাস্তা সিল করা শ হয়। খুব প্রয়োজন ছাড়া কাউকে মল্লারপুরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। আবার মল্লারপুর থেকে কাউকে বাইরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। ইতিমধ্যে ঝিকড্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের বানাসপুর ও মহুরাপুর গ্রাম নজরবন্দি করে রেখেছে প্রশাসন। এছাড়া ময়ূরেশ্বর – সাঁইথিয়া রাস্তা সিল করে দিয়েছে প্রশাসন। শুধু তাই নয় জেলায় করোনা থ্যাবা বসাতেই রামপুরহাট থানার রদিপুর গ্রাম সিল করে দিয়েছেন গ্রামবাসীরা। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে রামপুরহাট পুরসভার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডের রাস্তা। সেখানে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বহিরাগত কেউ পাড়ায় ঢুকবেন না।  বর্তমান পরিস্থিতি সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুলতে চাইছেন না কোন আধিকারিক।

Share To:

THE OFFNEWS

Post A Comment:

0 comments so far,add yours